• Skip to primary navigation
  • Skip to main content
  • Skip to primary sidebar
  • Skip to footer
AtiqIt

AtiqIt

বাংলা ট্রাভেল ব্লগ

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা

January 5, 2025 by আতিকুর রহমান

ঢাকা চিড়িয়াখানা (মিরপুর): বাংলাদেশের প্রাণিকুলের বৈচিত্র্যের এক অনন্য আয়োজন

ঢাকা চিড়িয়াখানা, যা মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানা নামেও পরিচিত, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মিরপুর এলাকায় অবস্থিত। এটি দেশের সর্ববৃহৎ চিড়িয়াখানা এবং প্রাণিকুলের প্রতি আগ্রহী মানুষদের জন্য একটি জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। বাংলাদেশের প্রাণিবৈচিত্র্যকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে এই চিড়িয়াখানা ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিদিনের কর্ম ব্যস্ততা জীবন থেকে সবাই যখন একটু ভিন্নতা খুঁজতে চায় তখনই মানুষের ভিড় পড়ে এখানে, সবুজের ছোঁয়া আর প্রাণীকুলের সাথে সারাদিনের অদ্ভুত এক আনন্দের আবাসস্থল হল বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা। নির্মল এক আনন্দ এবং অজানার খোঁজে মুখরিত আমাদের জাতীয় এ চিড়িয়াখানা।

[youtube id=”tH9lX21CQP4″ thumb=”https://traveleratiq.com/wp-content/uploads/2025/01/বাংলাদেশ-জাতীয়-চিড়িয়াখানা.jpg”  alt=”Beautiful Deer at Bangladesh National Zoo”]

নাগরিক জীবনের যান্ত্রিক কর্মব্যস্ততাময় জীবন থেকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও এখানে মানুষের চক্ষু স্থির হয়। এখানে ঢুকতেই চোখে পড়ে এক পাল হরিরণের, ওদের চোখে বৃষ্টি রেখে এক মায়ার খোঁজে ব্যস্ত থাকে দর্শনার্থীরা। একটু এগুলোই বানরের খাঁচা, সারাটা ক্ষণ বাদরামি আর দর্শনার্থীদের খাবার সংগ্রহী ব্যস্ত তারা। পাখিদের কলতান এড়িয়ে দূরে দেখা যায় জিরাফের উকি ঝুঁকি, নিবৃত্ত দুপুরে জেব্রার মগ্ন আহার, উৎসুক চোখে দেখা মিলবে ময়ূরের পেখম মেলার দৃশ্য।

[youtube id=”j5xNSKP7OgE” alt=”Beautiful Peacock Dance in Bangladesh National Zoo”]

এখানে একটু থামি কারণ প্রথমে চিড়িয়াখানার ইতিহাসটা একটু জেনে নেয়া যাক…

চিড়িয়াখানার ইতিহাস

ঢাকা চিড়িয়াখানার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৫০ সালের শেষের দিকে। ঢাকার সুপ্রিম কোর্টের সামনে বর্তমান ঈদ গাহ এলাকায় ৪ থেকে ৫ একর জায়গাজুড়ে এই চিড়িয়াখানা স্থাপন করা হয়েছিল। সেখানেই কিছু পাখি বানর আর হরিণ নিয়ে যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তিকালে ২৩ বছর পর ১৯৭৪ সালের ২৩ জুন বর্তমান মিরপুরে স্থানান্তরিত হয় এবং আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘটে এই চিড়িয়াখানার। শুরুতেই এর নাম ছিল ‘বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা’। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

চিড়িয়াখানার প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল দুর্লভ আর বিরল প্রজাতির প্রাণী সংগ্রহ ও নিরাপত্তা ও প্রজনন, গবেষণা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি শিক্ষামূলক এবং বিনোদনমূলক কেন্দ্র হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেছে।

অবস্থান এবং আয়তন

মিরপুর ১ নম্বর এলাকায় অবস্থিত এই চিড়িয়াখানা প্রায় ১৮৬.৬৩ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। ভিতরে নজর কারা লেক রয়েছে প্রায় ৩৩ একর জায়গা নিয়ে। চারদিক ঘিরে শুধু সবুজ আর সবুজ আর আয়তনের দিক দিয়ে প্রায় বিশ্বের হাজারো চিড়িয়াখানাকে ছাড়িয়ে চতুর্থ এর অবস্থান।

চিড়িয়াখানার ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর জন্য আলাদা আলাদা এলাকা, বড় বড় জলাধার এবং সবুজ উদ্যান। এই বিস্তৃত আয়তন প্রাণীদের স্বাভাবিক পরিবেশের কাছাকাছি জীবনযাপনের সুযোগ প্রদান করে।

প্রাণিকুলের বৈচিত্র্য

প্রায় ২০০টি প্রজাতির, ২০৬৫০টি প্রাণীর অভয়ারণ্য এই চিড়িয়াখানা। দেখা মিলবে বহু প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় নাম না জানা প্রাণীরও। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:

স্তন্যপায়ী প্রাণী

  • গন্ডার: বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় গন্ডার এক গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ।
  • জলহস্তি: এখানে দেখা মিলবে ছোট বড় একাধিক জল হস্তীর। সবুজ ঘাস, লতাপাতা, এবং তরমুজ ও বাঙ্গির মতো বিভিন্ন ফল খাওয়ায় এরা প্রায় সময়ই ব্যস্ত থাকে, আর খাবার শেষ হলে অবশ্য পাশের ছোট পুকুড়ের পানিতে বেশি সময় কাটায় অলসতায় সবচেয়ে এগিয়ে এই হস্তী গুলো।
  • বাঘ: রয়েল বেঙ্গল টাইগার চিড়িয়াখানার প্রধান আকর্ষণ। এটি বাংলাদেশের জাতীয় পশু। চিড়িয়াখানা বলতেই বাঘ মামা দেখার আকর্ষণ, বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা বলে কথা, চিড়িয়াখানায় রয়েলবেঙ্গল থাকবে না এটা ভাবা যায় না। লোহার খাঁচার ভিতর থাকলেও চোখের দৃষ্টি আর হুংকারে নিজের যাত্রা চেনাতে ভুল করে না এই প্রাণীটি।
  • সিংহ: আফ্রিকান সিংহ চিড়িয়াখানার অন্যতম জনপ্রিয় প্রাণী। চিড়িয়াখানা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে রাজা সাহেবের, যার এক হুকারই যথেষ্ট, আর খাওয়াটাও বাদশাহি ধাচের, সপ্তাহে খাবার হিসেবে রয়েছে ছয় দিন গরুর গোস্ত আর একদিন জ্যান্ত খরগোশ।
  • হাতি: বিশালাকৃতির এ প্রাণীগুলি বিশেষ করে শিশুদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র।
  • বানর ও লেমুর: বিভিন্ন প্রজাতির বানর ও লেমুর দর্শনার্থীদের মনোরঞ্জন করে। সুযোগ পেলেই দর্শনার্থীদের ছুড়ে দেয়া রুটি ও চিনা বাদাম ইত্যাদি সংগ্রহ করে এরা।
  • ভাল্লুক: ভাল্লুক আর একটি আকর্ষণীয় প্রাণী যা কিনা সময় পেলেই নাক ডুবিয়ে খায় আর খাওয়া শেষ হলে খাঁচা ঘিরে মানুষ যখন বেশি তখনই শুরু হয়ে যায় তার খেলাধুলা।

[youtube id=”LTmPT3lJYdI” alt=”Big Hippopotamus in Bangladesh National Zoo”]

[youtube id=”Be90C6HA_vw” alt=”Big Rhinoceros in Bangladesh National Zoo”]

পাখি

দেশ ও বিদেশের কমপক্ষে ৫৬ প্রজাতির রংবেরঙের অসংখ্য পাখি পাখির দেখা মিলবে এখানে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:

  • ময়ূর: তাদের রঙিন পালক দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
  • ঈগল ও বাজ: বিভিন্ন প্রজাতির শিকারি পাখি এখানে দেখা যায়।
  • তোতা ও টিয়া পাখি: এদের রঙ এবং ডাক দর্শনার্থীদের আনন্দ দেয়।

সরীসৃপ

  • কুমির: বড় বড় জলাধারে রাখা কুমির দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। আছে মিঠা পানির কুমির যারা লম্বায় চার থেকে পাঁচ মিটার ঘর খুঁজতে মাটির উপরেও যেতে পারে কয়েক কিলোমিটার সপ্তাহে দুই দিন সোয়া দুই কেজি গরুর মাংস তৈরি হয়ে যায় তার খাবার। এরাও সাধারণত পুরো শীতকাটায় ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে।
  • সাপ: চিড়িয়াখানায় রয়েছে নানা প্রজাতির বিষধর এবং নির্বিষ সাপ। এদের মধ্যে রয়েছে, অজগর, গোখরা, ইত্যাদি। চিড়িয়াখানায় গা শিউরে ওঠে সময় সময় খোলস পাল্টানো বিভিন্ন রংবেরঙের বিষধর সাপের ধীর চলাফেরা ও ফিসফিসানিতে। এদিকে অজগর শীতকালে এমন ঘুমায় যে কোন কিছুই খাওয়া লাগে না বাকি সময় সপ্তাহে একটি করে খরগোশ হলেই ব্যাস।

জলজ প্রাণী

চিড়িয়াখানার লেকে রয়েছে নানা প্রজাতির মাছ এবং কাছিম। এছাড়া বিভিন্ন জলচর পাখিও দেখা যায়।

চিড়িয়াখানার অন্যান্য আকর্ষণ

শিশু পার্ক

চিড়িয়াখানার ভেতরে শিশুদের জন্য রয়েছে আলাদা খেলার জায়গা। এখানে নানা রকম রাইড এবং বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।

শিক্ষামূলক কার্যক্রম

চিড়িয়াখানার একটি প্রধান উদ্দেশ্য হল শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। এখানে বিভিন্ন সময়ে প্রাণী সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কে সচেতনতামূলক সেমিনার এবং প্রদর্শনী আয়োজিত হয়।

জলাধার এবং বোটিং

চিড়িয়াখানার ভেতরে বড় বড় লেক রয়েছে, যেখানে দর্শনার্থীরা নৌকাভ্রমণের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। লেকের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং আশেপাশের গাছপালা দর্শকদের মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

দর্শনার্থীদের সুবিধা

চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা।

  • খাবারের দোকান: চিড়িয়াখানার ভেতরে এবং বাইরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান।
  • বিশ্রামের জায়গা: দর্শকদের বিশ্রামের জন্য বিভিন্ন জায়গায় বসার ব্যবস্থা রয়েছে।
  • গাইড এবং তথ্যকেন্দ্র: নতুন দর্শনার্থীদের জন্য চিড়িয়াখানার তথ্যকেন্দ্র এবং গাইড রয়েছে, যারা দর্শনার্থীদের চিড়িয়াখানা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।
  • জাদুঘর: নানান প্রাণী সম্পর্কে জানতে আরও রয়েছে জাদুঘর। বলা যায় দুলাভ নানাজাতের প্রাণীর বড়সড় সংগ্রহশালা, সঙ্গে সেগুলোর বিস্তর বর্ণনা।

পরিবেশ এবং নিরাপত্তা

চিড়িয়াখানার পরিবেশ বেশ পরিচ্ছন্ন এবং সবুজে ঘেরা। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সবসময় সজাগ থাকে। এখানে প্রাণীদের জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়া হয় এবং তাদের খাদ্য এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

সমালোচনা এবং চ্যালেঞ্জ

যদিও ঢাকা চিড়িয়াখানা অনেকের কাছে একটি প্রিয় স্থান, তবে কিছু সমালোচনাও রয়েছে।

  • প্রাণীদের আবাসস্থলের মান আরও উন্নত করা প্রয়োজন।
  • দর্শনার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি, যেন তারা প্রাণীদের বিরক্ত না করে।
  • চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নের জন্য আরও তহবিল এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন।

উপসংহার

ঢাকা চিড়িয়াখানা বাংলাদেশের প্রাণিকুলের বৈচিত্র্যকে তুলে ধরার একটি অনন্য স্থান। এটি শুধু বিনোদনের স্থান নয়, বরং শিক্ষামূলক এবং গবেষণামূলক কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করে। সঠিক পরিকল্পনা এবং সংরক্ষণের মাধ্যমে এটি আরও আকর্ষণীয় এবং উন্নততর হতে পারে। ঢাকার ব্যস্ত জীবনের মাঝে এই চিড়িয়াখানা প্রকৃতি এবং প্রাণীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

টিকিট এবং সময়সূচি

সময়সূচি

মাস সময়
এপ্রিল থেকে অক্টোবর ৯ AM – ৬ PM
নভেম্বর থেকে মার্চ ৯ AM – ৫ PM

বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা

দিন সময়
রবিবার বন্ধ
সোমবার ৯ AM – ৬ PM
মঙ্গলবার ৯ AM – ৬ PM
বুধবার ৯ AM – ৬ PM
বৃহস্পতিবার ৯ AM – ৬ PM
শুক্রবার ৯ AM – ৬ PM
শনিবার ৯ AM – ৬ PM

চিড়িয়াখানা – কমন এল্যান্ড

দিন সময়
রবিবার বন্ধ
সোমবার ৯ AM – ৫ PM
মঙ্গলবার ৯ AM – ৫ PM
বুধবার ৯ AM – ৫ PM
বৃহস্পতিবার ৯ AM – ৫ PM
শুক্রবার ৯ AM – ৫ PM
শনিবার ৯ AM – ৫ PM

চিড়িয়াখানা – জলহস্তী

দিন সময়
রবিবার বন্ধ
সোমবার ৯ AM – ৫ PM
মঙ্গলবার ৯ AM – ৫ PM
বুধবার ৯ AM – ৫ PM
বৃহস্পতিবার ৯ AM – ৫ PM
শুক্রবার ৯ AM – ৫ PM
শনিবার ৯ AM – ৫ PM

হরিণ অঞ্চল

দিন সময়
রবিবার বন্ধ
সোমবার ৯ AM – ৬ PM
মঙ্গলবার ৯ AM – ৬ PM
বুধবার ৯ AM – ৬ PM
বৃহস্পতিবার ৯ AM – ৬ PM
শুক্রবার ৯ AM – ৬ PM
শনিবার ৯ AM – ৬ PM

টিকিট

চিড়িয়াখানার টিকেট ফি ও গাড়ি পার্কিংয়ের হার নিচে টেবিল আকারে দেওয়া হলো:

প্রবেশ ফি

সেবা মূল্য (BDT)
প্রধান গেট এন্ট্রান্স ফি (২ বছরের বেশি) ৫০/-
চিড়িয়াখানা মিউজিয়াম এন্ট্রান্স ফি ১০/-
শিশু (২ বছরের নিচে) ফ্রি
ছাত্র (শুধুমাত্র আইডি কার্ড সহ) অর্ধেক

গাড়ি পার্কিংয়ের হার

নং বাহনের বর্ণনা ফি/মূল্য (BDT)
১ ভারী বাহন যেমন বাস, ট্রাক, লরি, মিনিবাস, কার্গো, ডাবল-ডেকার, ইত্যাদি ৪০/-
২ ছোট মোটর বাহন যেমন মাইক্রোবাস, ট্যাক্সি, জিপ, কার, পিকআপ, ইত্যাদি ২০/-
৩ সিএনজি স্কুটার, অটো টেম্পো, মোটরসাইকেল, মিশুক, ইত্যাদি ১০/-
৪ রিকশা, রিকশা ভ্যান, সাইকেল, ইত্যাদি ২/-

অন্যান্ন তথ্য

বিশেষ দ্রষ্টব্য: টিকেটের বর্তমান মূল জানতে, ও অন্যান্য আরো তথ্য জানতে সরাসরি বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার ওয়েব সাইট ভিজিট করুন: https://bnzoo.org/

মানচিত্র

গুগলের মানচিত্রে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা, মিরপুর, ঢাকা।

Filed Under: ঢাকা, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: চিড়িয়াখানা, জাতীয় চিড়িয়াখানা, ঢাকা চিড়িয়াখানা, বাংলাদেশ, মিরপুর চিড়িয়াখানা

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর

January 4, 2025 by আতিকুর রহমান

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর (Bangladesh Air Force Museum): বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরটি ঢাকার শের-এ-বাংলা নগর, আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত একটি বিশেষ আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এটি দেশের বিমান বাহিনীর গৌরবময় ইতিহাস, কার্যক্রম এবং অর্জনসমূহকে সাধারণ জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৪ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর এই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয় এবং সাধারণ মানুষকে সামরিক বিমান এবং বিমান বাহিনীর ইতিহাস সম্পর্কে জানতে অনুপ্রাণিত করে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ডাকোটা বিমান
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ডাকোটা বিমান

স্থাপত্য ও বিন্যাস

জাদুঘরটি প্রায় ১২ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে সাজানো। মূল জাদুঘর ভবনটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত, যেখানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ইতিহাস, অর্জন এবং বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তির প্রদর্শনী রয়েছে। জাদুঘরের চত্বরটি গাছপালা, খোলা জায়গা, এবং মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ঘেরা। এখানে শিশুদের খেলার জন্য একটি ছোট পার্ক, ক্যাফেটেরিয়া এবং বিশ্রামের জন্য বেঞ্চের ব্যবস্থা রয়েছে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর চত্বরে খোলা জায়গা
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর চত্বরে খোলা জায়গা

প্রদর্শনী

জাদুঘরে প্রদর্শিত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, রাডার সিস্টেম এবং সামরিক সরঞ্জাম। এগুলো দর্শকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং শিক্ষণীয়। উল্লেখযোগ্য প্রদর্শনীগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  1. মিগ-২১ যুদ্ধবিমান: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ একটি যুদ্ধবিমান।
  2. এফ-৬ ফাইটার জেট: এটি বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর অন্যতম প্রধান যুদ্ধবিমান ছিল।
  3. এনটিক ট্রেনার বিমান: নতুন পাইলটদের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহৃত বিমান।
  4. রাডার এবং যোগাযোগ সরঞ্জাম: বিভিন্ন সময়ে বিমান বাহিনীর ব্যবহৃত উন্নত প্রযুক্তির নমুনা।
  5. ইঞ্জিন এবং যন্ত্রাংশ: বিভিন্ন যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারের ইঞ্জিনের কাটিং মডেল।

এছাড়া, জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বিমান বাহিনীর সাহসী কর্মকাণ্ড এবং শহীদ পাইলটদের স্মৃতিসৌধও রয়েছে। এখানে ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য তথ্যচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের সামরিক ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরে শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থা

শিক্ষামূলক কার্যক্রম

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরটি শুধু বিনোদনের স্থান নয়, এটি একটি শিক্ষামূলক কেন্দ্রও বটে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে বিশেষ প্রদর্শনী এবং শিক্ষামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। এখানে পাইলটদের প্রশিক্ষণ, সামরিক বিমান চালনা, এবং যুদ্ধক্ষেত্রে বিমান বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।

জাদুঘরটি প্রযুক্তি ও বিমানবিষয়ক শিক্ষার প্রতি তরুণদের আগ্রহ জাগিয়ে তোলে। এখানে আগত দর্শনার্থীরা সামরিক বিমান এবং এর প্রযুক্তিগত দিক সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করতে পারেন।

কেন দেখবেন?

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর ভ্রমণ করলে আপনি:

  1. দেশের সামরিক ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাবেন।
  2. যুদ্ধবিমান এবং সামরিক প্রযুক্তি সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন।
  3. মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
  4. শিশুদের জন্য এটি একটি শিক্ষামূলক এবং বিনোদনমূলক অভিজ্ঞতা হতে পারে।

পরিদর্শনের টিপস

  1. ক্যামেরা আনুন: এখানে ছবি তোলার অনুমতি রয়েছে, তাই ক্যামেরা আনতে ভুলবেন না।
  2. সময় হাতে রাখুন: প্রদর্শনীগুলো ভালোভাবে দেখতে অন্তত ২-৩ ঘণ্টা সময় পরিকল্পনা করুন।
  3. পরিবারসহ যান: এটি একটি পারিবারিক ভ্রমণের জন্য আদর্শ স্থান।
  4. গাইডের সাহায্য নিন: জাদুঘরের গাইডরা আপনাকে প্রতিটি প্রদর্শনী সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।

উপসংহার

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘরটি একটি অসাধারণ ভ্রমণস্থল, যা দেশপ্রেম এবং সামরিক ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের গর্বিত করে তোলে। এটি শুধুমাত্র ইতিহাস জানার স্থান নয়, বরং শিক্ষণীয় এবং অনুপ্রেরণাদায়ক একটি অভিজ্ঞতা প্রদান করে। ঢাকার ব্যস্ত নগর জীবনের মধ্যে একটি শান্ত ও শিক্ষামূলক পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য এটি অবশ্যই একটি আদর্শ স্থান।

টিকিট এবং সময়সূচি

সময়সূচি

দিন সময়
শনিবার সকাল ১০টা – রাত ৮টা
রবিবার বন্ধ
সোমবার দুপুর ২টা – রাত ৮টা
মঙ্গলবার দুপুর ২টা – রাত ৮টা
বুধবার দুপুর ২টা – রাত ৮টা
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা – রাত ৮টা
শুক্রবার সকাল ১০টা – রাত ৮টা

টিকিট

মূল্য তালিকা

জাদুঘররে প্রবেশ টিকেটের মূল্য তালিকা:

টিকেটের ধরন মূল্য
প্রবেশ গেট – সাধারণ নাগরিক ৫০ টাকা
প্রবেশ গেট – বিদেশি ১০০ টাকা
প্রবেশ গেট – সামরিক কর্মী ২৫ টাকা
দুই বছরের নিচে দর্শনার্থী ফ্রি (বিনামূল্যে)

অন্যান্য তথ্য:

বিশেষ দ্রষ্টব্য: টিকেটের বর্তমান মূল জানতে, ও অন্যান্য তথ্য আরও তথ্য বিস্তারিতভাবে জানতে সরাসরি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘররের ওয়েব সাইট ভিজিট করুন: https://museum.baf.mil.bd/

মানচিত্র

গুগলের মানচিত্রে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর।

 

Filed Under: ঢাকা, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: জাদুঘর, বাংলাদেশ, বিমান বাহিনী, বিমান বাহিনী জাদুঘর

বাংলাদেশ: প্রকৃতি ও সংস্কৃতির অপার সৌন্দর্যের দেশ

January 2, 2025 by আতিকুর রহমান

বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ার একটি মনোমুগ্ধকর দেশ, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির অপূর্ব সমন্বয়। এর প্রতিটি কোণ যেন এক শিল্পীর কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া হয়েছে। এই দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, এবং অতিথিপরায়ণ জনগণ আপনার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।

বাংলাদেশের প্রকৃতি বহুমাত্রিক। শত শত আঁকাবাঁকা নদী, চিরসবুজ পাহাড়, ঘন বৃষ্টি অরণ্য, এবং সিলেটের চা বাগানের সবুজ ঢেউ আপনাকে প্রশান্তির অনুভূতি দেবে। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের নয়, পৃথিবীরও অন্যতম গৌরবময় স্থান। এখানে আছে বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, যা আপনার ভ্রমণকে আরো রঙিন করে তুলবে।

বাংলাদেশ তার ঐতিহ্যে ভরপুর। প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন, রাঙামাটি ও বান্দরবানের উপজাতীয় জীবনের রঙিন দৃশ্য এবং দেশের গ্রামীণ পরিবেশ আপনাকে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা দেবে। মোরগের ডাক শুনে ভোরে ঘুম থেকে ওঠা কিংবা ধানক্ষেতে হাওয়ার স্পর্শ অনুভব করা এখানে খুবই স্বাভাবিক, যা প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার এক দুর্দান্ত সুযোগ।

এ দেশের মানুষ খুবই অতিথিপরায়ণ। তারা সর্বদা আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এবং আপনার ভ্রমণকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবে। বাংলাদেশে ভ্রমণ শুধু সৌন্দর্য উপভোগ নয়, বরং শেখার একটি অনন্য অভিজ্ঞতাও বটে।

আমরা আশা করি, আপনি এই দেশে অবিস্মরণীয় মুহূর্ত কাটাবেন এবং অগণিত স্মৃতি নিয়ে ফিরবেন। আপনার যাত্রা শুভ হোক! বাংলাদেশে আপনার অভিজ্ঞতার কথা আমাদের জানাতে ভুলবেন না। 🌿🌏

মানচিত্র

গুগলের মানচিত্রে বাংলাদেশ।

Filed Under: বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: দক্ষিণ এশিয়া, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ভ্রমণ, বাংলাদেশের পর্যটন, বাংলাদেশের প্রকৃতি, বাংলাদেশের সংস্কৃতির, বাংলাদেশের সৌন্দর্য

নারায়ণগঞ্জ জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

May 21, 2024 by আতিকুর রহমান

এক নজরের নারায়ণগঞ্জ জেলায় ঘুরে বেড়ানোর মত কী কী বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান আছে  সেগুলো এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের কাছে উপস্থাপনের একটি ছোট প্রয়াশঃ

নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি পর্যটন স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

প্রধান ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

  • সোনারগাঁও জাদুঘর (সোনারগাঁও)
  • বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর (সোনারগাঁ)
  • পানাম নগর/সিটি (সোনারগাঁও)
  • মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি (রূপগঞ্জ)
  • বালিয়াপাড়া জমিদার বাড়ি (মদনপুর)
  • সোনাকান্দা দুর্গ ও হাজীগঞ্জ দুর্গ (হাজীগঞ্জ)
  • সাতগ্রাম জমিদার বাড়ী / বাবুর বাড়ী (পুরিন্দা, আড়াইহাজার)
  • বিবি মরিয়ম মসজিদ ও সমাধি (হাজীগঞ্জ)

পার্ক এবং রিসোর্ট

  • জিন্দা পার্ক (রূপগঞ্জ)
  • সায়রা গার্ডেন রিসোর্ট (মদনপুর)
  • সুবর্ণ গ্রাম এমিউসমেন্ট পার্ক ও রিসোর্ট (ভূলতা)
  • পন্ড গার্ডেন পার্ক (রূপগঞ্জ)

অন্যান্য ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

  • মায়াদ্বীপ (বারদী, সোনারগাঁও)
  • মেরী এন্ডারসন ভাসমান রেস্তোরা ও বার (কুতুবপুর)
  • বাংলার তাজমহল (সোনারগাঁও)
  • সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি/মাজার (সোনারগাঁও)
  • বারদী লোকনাথ আশ্রম (বারদী, সোনারগাঁও)
  • চৌদ্দার চর (আড়াইহাজার)
  • বন্দর শাহী মসজিদ (কদম রসুল)
  • বালিয়াপাড়া জমিদার বাড়ি (মদনপুর)
  • বিবি মরিয়ম মসজিদ ও সমাধি (হাজীগঞ্জ)
  • চারিতালুক পাল বাড়ী (পগঞ্জ)
  • বিশনন্দী ফেরিঘাট ও মেঘনা নদী (আড়াইহাজার)
  • কদম রসূল দরগাহ (বন্দর)
  • জ্যোতি বসুর বাড়ি (সোনারগাঁও)
  • জমিদার আমলের অম্বিকা কুটির (দুপ্তরা ইউনিয়ন, দুপ্তরা পশ্চিমপাড়া, আড়াইহাজার)

Filed Under: নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য

টাঙ্গাইল জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

May 6, 2024 by আতিকুর রহমান

এক নজরের টাঙ্গাইল জেলায় ঘুরে বেড়ানোর মত কী কী বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান আছে  সেগুলো এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের কাছে উপস্থাপনের একটি ছোট প্রয়াশঃ

টাঙ্গাইল জেলার প্রতিটি পর্যটন স্পট ও দর্শনীয় স্থান সমূহ

প্রধান ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

  • মহেরা জমিদার বাড়ি (নাটিয়াপাড়া, মির্জাপুর)
  • করটিয়া জমিদার বাড়ি (করটিয়া, টাঙ্গাইল সদর)
  • আতিয়া জামে মসজিদ (দেলদুয়ার)
  • নবাব মঞ্জিল / নবাব প্রাসাদ / ধনবাড়ী জমিদার বাড়ি (ধনবাড়ি)
  • পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি (নাগরপুর)
  • নাগরপুর চৌধুরী বাড়ী / জমিদার বাড়ি (নাগরপুর)
  • উপেন্দ্র সরোবর / ১২ ঘাটলা দীঘি (নাগরপুর)
  • পরীর দালান (শিমলাপাড়া, হেমনগর, গোপালপুর)
  • আদম কাশ্মিরীর মাজার (নাগরপুর উপজেলা)
  • গয়হাটার মঠ (গয়হাটা, নাগরপুর)
  • সাগরদীঘি (ঘাটাইল)
  • পাকুল্লা তিন গম্বুজ মসজিদ (পাকুল্লা, পালপাড়ায়, দেলদুয়ার)
  • মোকনা জমিদার বাড়ি (নাগরপুর)
  • পোড়াবাড়ির চমচম (পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন, টাঙ্গাইল সদর)
  • ধনবাড়ি মসজিদ (ধনবাড়ি)
  • ২০১ গম্বুজ মসজিদ (গোপালপুর)

পার্ক এবং রিসোর্ট

  • ডিসি লেক (টাঙ্গাইল সদর)
  • এস পি পার্ক (টাঙ্গাইল সদর)
  • যমুনা রিসোর্ট / বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট (কালিহাতী)
  • এলেঙ্গা রিসোর্ট (কালিহাতি)

অন্যান্য ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান

  • পীরগাছা রাবার বাগান (মধুপুর)
  • মধুপুর জাতীয় উদ্যান (মধুপুর)
  • যমুনা সেতু / বঙ্গবন্ধু সেতু / বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু
  • বাসুলিয়া চাপড়াবিল (বাসাইল)

Filed Under: টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য Tagged With: টাঙ্গাইল, টাঙ্গাইল জেলা, দর্শনীয় স্থান, পর্যটন স্পট, বাংলাদেশ, ভ্রমণ গন্তব্য

Primary Sidebar

জনপ্রিয় পোস্ট

সেরা পছন্দ

  • » বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার ভ্রমণ স্পট ও দর্শনীয় স্থান
  • » ভ্রমণের আগে করণীয় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ: সঠিক প্রস্তুতির চেকলিস্ট
  • » ভ্রমণের আগে করণীয় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ
  • » বাংলাদেশ: প্রকৃতি ও সংস্কৃতির অপার সৌন্দর্যের দেশ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • ঢাকা বিভাগ
  • বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা
  • বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকো পার্ক, সীতাকুন্ড
  • রমনা পার্ক
  • দায়িত্বশীল ভ্রমণ টিপস: বর্জনীয় বিষয় সমূহ
  • খেলারাম দাতার কোঠা
  • বাংলাদেশের ১০টি আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক পর্যটন স্থান

Design

With an emphasis on typography, white space, and mobile-optimized design, your website will look absolutely breathtaking.

Learn more about design.

Footer

Content

Our team will teach you the art of writing audience-focused content that will help you achieve the success you truly deserve.

Learn more about content.

Strategy

We help creative entrepreneurs build their digital business by focusing on three key elements of a successful online platform.

Learn more about strategy.

কপিরাইট © ২০২৫ ট্রাভেলার আতিক, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

  • সম্পর্কিত
  • গোপনীয়তা
  • শর্তাবলী
  • যোগাযোগ
  • সাইটম্যাপ